Content area
Full text
প্রযুক্তি এবং মানবাধিকারের বিশ্বসংবাদ।
বৈরুতের বিক্ষোভকারীরা। টুইটারে ছবি ভাগাভাগি করেছেন @মিকাটোবিয়া
অ্যাডভক্স নেট-নাগরিক প্রতিবেদন বিশ্বজুড়ে ইন্টারনেট অধিকারগুলির ক্ষেত্রে বিভিন্ন প্রতিবন্ধকতা, সমস্যা থেকে উত্তরণ এবং উদীয়মান প্রবণতাগুলির একটি আন্তর্জাতিক আলোকপাত উপস্থাপন করে। এই প্রতিবেদনটিতে ২০১৯ সালের অক্টোবর মাসের ১৩ থেকে ২৫ তারিখ পর্যন্ত বিভিন্ন সংবাদ এবং ঘটনা কাভার করা হয়েছে।
২০১৮ সালের অক্টোবরে জনগণ সরকারী দুর্নীতি, জনপরিষেবাগুলির ব্যর্থতা এবং অতিমাত্রায় করের প্রতিবাদে রাস্তায় নেমে আসার পর থেকে জনবিক্ষোভগুলি বৈরুত, ত্রিপোলি এবং লেবাননের অন্যান্য বৃহৎ শহরগুলিতে আধিপত্য বিস্তার করেছে। বিক্ষোভের একটি উল্লেখযোগ্য স্ফূলিঙ্গ হলো হোয়াটসঅ্যাপ এবং ফেসটাইমের মতো পরিষেবাগুলিতে দেওয়া ইন্টারনেটভিত্তিক ভয়েস কলিং প্রযুক্তি ব্যবহারের জন্যে প্রস্তাবিত দৈনিক কর।
হোয়াটসঅ্যাপ কর প্রস্তাবনা থেকে সরিয়ে দেওয়া হলেও প্রতিদিনই প্রতিবাদগুলির শক্তি ও তীব্রতা বৃদ্ধি পাচ্ছে। সামাজিক নেটওয়ার্কগুলিতে নীতিগত সংস্কার ছাড়াও আগাম নির্বাচন দিয়ে নতুন সরকার হঠানোর দাবিতে জড়ো হওয়া বিভিন্ন স্তরের হাজার হাজার মানুষের প্রতিবাদের ছবি ও ভিডিও উপচে পড়ছে।
লেবাননে বিক্ষোভ হালনাগাদ অব্যাহত রাখতে আমরা এদের অনুসরণ করছি:
মানবাধিকার পর্যবেক্ষকের আয়া মাজ্জুব এবং আবির ঘাট্টাস
এসএমইএক্সের মোহাম্মাদ নাজেম
ডেইলি স্টার লেবাননের তিমুর আজহারি এবং বেঞ্জামিন রেড
গ্লোবাল ভয়েসেস মধ্যপ্রাচ্য ও উত্তর আফ্রিকার প্রাক্তন সম্পাদক জোয়ি আয়ুব
সেখানে মূলত সামরিক বাহিনী এবং পুলিশের বিক্ষোভকারীদের বাঁধা দেওয়ার চেষ্টার ফলে সৃষ্ট সহিংস সংঘাতও চলছে। হয়েছিল, যার ফলস্বরূপ করেছিল। স্থানীয় নেতাকর্মীদের মতে এগুলো থেকে প্রায় ৩০০ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। টুইটারে ভাগাভাগি করা গ্রেপ্তার দৃশ্যের ছবিগুলোতে আটককৃত বিক্ষোভকারীদের রাস্তার পাশে পাশাপাশি সারিবদ্ধভাবে দাঁড় করিয়ে তাদের মোবাইল ফোনগুলি নিয়ে নেওয়া হচ্ছে বলে মনে হচ্ছে।
এই প্রচেষ্টাগুলি জনগণকে প্রতিবাদ-বিক্ষোভে যোগ দিতে নিরুৎসাহিত করা হোয়াটসঅ্যাপ এবং অন্যান্য সামাজিক গণযোগাযোগ মাধ্যমের পরিষেবায় ভাগাভাগি করা ডিজিটাল প্রচারণার সাথে কাকতালীয়ভাবে মিলে যাচ্ছে।
স্থানীয় সাংবাদিক এবং স্বতন্ত্র গণযোগাযোগ মাধ্যমের প্রতিষ্ঠানগুলি সক্রিয়ভাবে এই বিক্ষোভগুলি কভার করে চললেও রাষ্ট্র-সমর্থিত গণযোগাযোগ মাধ্যমগুলির বেশিরভাগি চুপ মেরে আছে। ২২ শে অক্টোবর তারিখে সামান্য ব্যাখ্যা দিয়েই জাতীয় সংবাদ সংস্থার প্রধানকে বরখাস্ত করা হয়েছে। লেবাননের ডেইলি স্টারের প্রতিবেদক বেঞ্জামিন রেড টুইটারে বিস্ময় প্রকাশ করেছেন: “এনএনএ প্রধান লর স্লেইমান কি তার কাজ করার জন্যেই বরখাস্ত হয়েছেন?”
২১ শে অক্টোবর তারিখে শীর্ষ নেতারা বিক্ষোভকারীদের অভিযোগকে স্বীকার করে জনসেবা ও নীতি উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি দিলেও বিক্ষোভের প্রধান প্রতিক্রিয়া হল, এটুকুই যথেষ্ট নয়। এসএমইএক্সের নির্বাহী পরিচালক এবং গ্লোবাল ভয়েসেসের লেখক মোহাম্মদ নাজেম এটিকে লিখেছেন:
Protestors today:
+ We don’t care about Harriri’s new reforms suggestions, before the deadline even.
+ Down with all this political system. We want a temporary government that lead new elections in the next year.
These...




