Content area
Full text
The EU might really mess up the internet next week.
[ Image removed: ]“সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত।” ফ্রিটস আহলেফেল্টের আঁকা, প্রকাশ্য ডোমেনে প্রকাশিত।
অ্যাডভক্স নেট-নাগরিক প্রতিবেদন বিশ্বজুড়ে ইন্টারনেট অধিকারগুলির ক্ষেত্রে বিভিন্ন প্রতিবন্ধকতা, সমস্যা থেকে উত্তরণ এবং উদীয়মান প্রবণতাগুলির একটি আন্তর্জাতিক আলোকপাত উপস্থাপন করে। এই প্রতিবেদনটিতে ২০১৯ সালের মার্চ মাসের ৯ থেকে ২০ তারিখের বিভিন্ন সংবাদ এবং ঘটনা বর্ণিত হয়েছে।
মার্চের শেষ দিনগুলিতে ইউরোপীয় সংসদটি একটি যুগান্তকারী কপিস্বত্ব সংস্কারের উপর ভোট দিতে যাচ্ছে। এটা ইউটিউব এবং ফেসবুকের মতো সৃজনশীল ও রাজনৈতিক অভিব্যক্তিগুলির অনলাইনের প্রধান প্রধান জায়গাগুলি পাল্টে দিতে পারে।
মূলতঃ বন্ধ দরজার আড়ালে প্রণীত এবং আলোচিত ধারা ১৩ সংযুক্ত ইইউ কপিস্বত্ব নির্দেশনার সর্বশেষ খসড়াটি অনুসারে ইউটিউবের মতো ইন্টারনেট মঞ্চগুলির ক্ষেত্রে “ফিল্টার আপলোড” ইনস্টল করার দরকার হবে। এটা ব্যবহারকারীদের ইন্টারনেট এবং সামাজিক মিডিয়ার মঞ্চগুলিতে কপিস্বত্ব-সুরক্ষিত বিষয়বস্তু আপলোডে বাধা প্রদানকারী কার্যকরভাবে “প্রাক-সেন্সর” ব্যবস্থা কার্যকরভাবে প্রয়োগ করার মতো একটি প্রযুক্তিগত প্রক্রিয়া।
২৬ থেকে ২৮ মার্চের মধ্যে কপিস্বত্ব নির্দেশনার উপর একটি চূড়ান্ত ভোট আশা করা হচ্ছে। ভোটের আগের দিনগুলিতে এই অঞ্চলের নাগরিক এবং ডিজিটাল অধিকার সমর্থকরা এই নীতি পুনর্বিবেচনা করতে রাজি হওয়ার জন্যে আইন প্রণেতাদের চূড়ান্ত একটি ধাক্কা দেবে। ১২ মার্চ পর্যন্ত ১৩ ধারার বিরুদ্ধে অর্ধ কোটিরও বেশি লোক একটি আবেদনে স্বাক্ষর করেছে এবং হাজার হাজার লোক তাদের ইউরোপীয় সংসদ সদস্যদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে ইমেল পাঠিয়েছে।
২৩ মার্চ তারিখে ডজনখানেক প্রকাশ্য বিক্ষোভের এবং ২১ মার্চ তারিখে জার্মান, চেক, দিনেমার এবং স্লোভাক উইকিপিডিয়া সংস্করণসহ প্রভাবিত হতে পারার মতো কয়েকটি বড় বড় ওয়েবসাইট একটি প্রতীকী ব্ল্যাকআউটের পরিকল্পনা করা হয়েছিল।
এধরনের পরিবর্তন আইনিভাবে শুধুমাত্র ইইউ সদস্য রাষ্ট্রগুলোর জন্যে প্রযোজ্য হলেও এটা বিশ্বব্যাপী ইন্টারনেটকে ব্যাপকভাবে প্রভাবিত করতে পারে। এধরনের ফিল্টার করার ব্যবস্থাগুলো তৈরি করে ইউরোপে স্থাপন করা গেলে অন্যান্য দেশের সরকারগুলো আগ্রহী হয়ে তাদের নিজস্ব অঞ্চলের জন্যে অনুরূপ (বা এমনকি অভিন্ন) প্রক্রিয়া অনুসরণ করতে পারে।
এধরনের প্রচেষ্টাগুলো সম্পর্কে আরো জানতে আপানার ইন্টারনেট বাঁচান প্রচারের সাইটটি দেখুন।
ইরাক বিতর্কিত সাইবার অপরাধ খসড়া আইনের উপর বিতর্ক স্থগিত করেছে
ইরাকের প্রতিনিধি পর্ষদ “দেশের স্বাধীনতা, সংহতি ও নিরাপত্তা বা তার সর্বোচ্চ অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক, সামরিক, বা নিরাপত্তাজনিত স্বার্থ “ক্ষুন্ন অথবা “ইলেকট্রনিক আর্থিক ব্যবস্থার আস্থা দুর্বল করার উদ্দেশ্যে ইচ্ছাকৃত মিথ্যা বা বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রকাশ বা সম্প্রচার” করার জন্যে “কম্পিউটার এবং ইন্টারনেট” ব্যবহারের দায়ে দোষী সাব্যস্ত ব্যক্তিদের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং সাংঘাতিক জরিমানা আরোপ করতে পারা বিতর্কিত সাইবার অপরাধ সম্পর্কিত একটি খসড়া আইন বিবেচনা করছে।
এই মাসের গোড়ার দিকে মানবাধিকার সংগঠনগুলো ইরাকি সংসদকে খসড়া আইনটি প্রত্যাহারের আহ্বান...
We're sorry, your institution doesn't have access to this article through ProQuest.
You may have access to this article elsewhere through your library or institution, or try exploring related items you do have access to.