Content area
Full text
অনেকদিন থেকেই কেনিয়ায় নতুন ডেটা সুরক্ষা আইন দরকার
[ Image removed: ]কেনিয়ার নাইরোবিতে এম-পেসা মোবাইল অর্থ কেন্দ্র। ছবির কৃতজ্ঞতা: ফিয়োনা গ্রাহাম/ ওয়ার্ল্ড রেমিট সিসি বাই-এসএ ২.০।
৮ নভেম্বর, ২০১৯ তারিখে কেনিয়ার রাষ্ট্রপতি উহুরু কেনিয়াত্তা ডেটা সুরক্ষা খসড়া আইনটিকে পরিপূর্ণ আইনে উন্নীত করেন। কেনিয়া এখন আফ্রিকার ৪৫টি দেশের মধ্যে জাম্বিয়া এবং জিম্বাবুয়ের সাথে এপর্যন্ত ব্যক্তিগত তথ্য সুরক্ষা সম্পর্কিত আইন প্রয়োগ করা ২৫টির সাথে যোগ দিয়েছে যারা দ্রুতই তাদের ক্রমতালিকায় যোগদান করবে।
ইউরোপীয় ইউনিয়নের সাধারণ ডেটা প্রোসুরক্ষা বিধি (জিডিপিআর) এর আদলে গড়ে তোলা কেনিয়ার নতুন ডেটা সুরক্ষা আইনটি দীর্ঘদিন থেকেই দরকার হয়ে পড়েছে। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) বিস্তারে বিশাল পদক্ষেপের জন্যে আফ্রিকার সিলিকন সাভানা উপাধি অর্জন করা এবং মহাদেশ ও সিলিকন ভ্যালির মধ্যে থেকে অনেক উদ্যোগ সূচনার কেন্দ্র হয়ে ওঠার পরেও কেনিয়ার কোন ডেটা সুরক্ষা আইন নেই।
বেসরকারী ও সরকারী সত্তাগুলি কীভাবে গ্রাহক ও নাগরিকদের ডেটা পরিচালনা করবে সে সম্পর্কে আইনী কাঠামোর অভাব রাষ্ট্রপতি নির্বাচনকে প্রভাবিত করতে নাগরিকের ব্যক্তিগত তথ্য ব্যবহারের ক্ষেত্রে বিশ্বের প্রথম আলোচ্য বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে।
রাষ্ট্রপতি কেনিয়াত্তাকে পুনর্নির্বাচন করা ২০১৩ এবং ২০১৩ সালের কেনিয়ার রাষ্ট্রপতি নির্বাচনগুলো এমন একটি কেলেঙ্কারীতে জড়িত যেখানে কেমব্রিজ অ্যানালিটিকা অবৈধভাবে কয়েক মিলিয়ন কেনীয়র ফেসবুক প্রোফাইল ডেটা সংগ্রহ করেছিল। তারপর এই প্রোফাইলগুলি তখন কেনিয়ার ভোটারদের প্রয়োজনীয়তা ও উদ্বেগ নির্ধারণ করার জন্যে ২০১৩ সালের রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের প্রাক্কালে পরিচালিত ৪৭,০০০ এর বেশি জরিপের সাথে সম্পর্কিত করা হয়েছিল। এই অন্তর্দৃষ্টিগুলি ২০১৭ সালের রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে কেনিয়াত্তাকে পুনরায় নির্বাচিত করতে সাহায্য করার জন্যে ডেটা-পরিচালিত ক্ষুদ্রভাবে লক্ষিত ডিজিটাল প্রচারণায় ব্যবহৃত হয়েছিল।
যুক্তরাজ্যভিত্তিক পরামর্শদাতা সংস্থাটি কোটি কোটি ফেসবুক ব্যবহারকারীর ডেটা সংগ্রহ করে ট্রাম্পের পক্ষে নিয়ে যাওয়ার জন্যে সেগুলিকে তথ্যের লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত করার মাধ্যমে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ২০১৬ সালের নির্বাচনী জয়ের পর থেকে আলোচনায় ছিল।
এই নতুন ডেটা আইনটি যোগাযোগ কর্তৃপক্ষের সর্বশেষ পরিসংখ্যান অনুসারে ১১২% হারে ইন্টারনেটে প্রবেশে আফ্রিকার সেরা কেনিয়ার ওপর একটি তাৎপর্যপূর্ণ ও সুদূরপ্রসারী প্রভাব ফেলবে।
কেনিয়ার নতুন ডেটা সুরক্ষা আইনের একটি পর্যালোচনা
এই নতুন আইনের ম্যান্ডেট মূলত ব্যক্তির গোপনীয়তা রক্ষার ক্ষেত্রে ব্যক্তিগত তথ্য সংগ্রহ, সঞ্চয় এবং প্রক্রিয়াকরণ নিয়ন্ত্রণ করার জন্যে একটি আইনী এবং প্রাতিষ্ঠানিক ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করবে। আইনটি যে কোন ধরনের লঙ্ঘনের প্রতিকার করে গোপনীয়তার অধিকার প্রয়োগ করবে।
Implementation of #dataprotection Act in Kenya is expected to be a gradual process. Will require creation of Data Commissioner’s office, build confidence of data controllers, development of Implementation mechanisms, stakeholder engagement and awareness @KeCIRT @CADirectorGen
— CA (@CA_Kenya) November 27, 2019
কেনিয়াতে #ডেটাসুরক্ষা বিধি...




