Content area
Full text
পূর্ব এশিয়ার অনেক দেশ বিভিন্ন নামে এই অনুষ্ঠানটি উদযাপন করে
তাইওয়ানের বড় মাতসু মন্দিরে(大 天 后宮) ধূপ সহযোগে প্রার্থনা। ফিলিপ নুবেলের ছবি, অনুমতি নিয়ে ব্যবহৃত।
চৈনিক কৃষি ঐতিহ্য অনুযায়ী চীনা নববর্ষ হ'ল একটি ছুটির দিন যা শীতের দীর্ঘ মাসগুলোর সমাপ্তিকে উদযাপন করে। ২৪শে জানুয়ারী ২০২০ এর মধ্যরাতে শুরু হওয়া চৈনিক চন্দ্র নববর্ষ পালন বেশ কয়েক দিন ধরে চলবে চিনা বলয়ের দেশগুলোতে। সারা বিশ্বের চৈনিক মানুষেরা “শুকরের বছর” থেকে “ইঁদুরের বছরে” পদার্পণকে পালন করছে।
প্রতি বছর চৈনিক নববর্ষ উদযাপনের তারিখ পরিবর্তিত হয় কারণ এটি চন্দ্রসূর্য দিনপঞ্জি অনুযায়ী নির্ধারিত হয়। জানুয়ারি থেকে ফেব্রুয়ারির মাঝে যেইদিন নতুন চাঁদ ওঠে, সেইদিনকে নববর্ষ হিসেবে ঘোষিত হয়। এ কারণেই পূর্ব এশিয়ার বহু সংস্কৃতিতে এটিকে বিভিন্ন নামে বর্ণনা করা হয় এবং বিভিন্নভাবে এটি উদযাপিত হয়।
তবে এই নববর্ষ উদযাপনের একটি নাম সর্বত্র, বিশেষ করে চীনে ব্যবহৃত হয় — সেটা হ'ল বসন্ত উৎসব (春节)। ভিয়েতনামবাসিরা টেট শব্দটি ব্যবহার করে (যার অর্থ ভোজ এবং এটি পুরো নাম টেট নুয়েন দান বা ‘প্রথম দিনের প্রথম সকালের ভোজ’)। তিব্বতীয় সংস্কৃতি এটিকে লোসার হিসাবে আখ্যায়িত করে (যা আক্ষরিক অর্থ নববর্ষ)। চন্দ্র নববর্ষ আনুষ্ঠানিকভাবে তাইওয়ান, জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া, সিঙ্গাপুর এবং সারা বিশ্বের চৈনিক প্রবাসী সদস্যদের দ্বারা উদযাপিত হয়।
তাইওয়ানের তাইনান শহরে একটি ফানুশে আঁকা 春 অক্ষরটি যার অর্থ বসন্ত (উৎসব)। ফিলিপ নুবেলের ছবি, অনুমতি নিয়ে ব্যবহৃত।
লালের শক্তি: দৈত্য তাড়ানোর একটি কার্যকর উপায়
চাইনিজ নববর্ষের পূর্বে এবং উৎসবের সময়ে মানুষের পোশাক,...




